শিরোনাম
বানারীপাড়ায় বিরোধীয় সম্পত্তিতে বিল্ডিংয়ের কাজসহ অন্যান্য কাজ না করার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি // শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ ছগির খানের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত। বাইশারী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ ছগির খানের মৃত্যুতে বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের শোক বানারীপাড়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহবানে জাকের পার্টির জনসভা ও  র‍্যালি বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বোয়ালমারীতে সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু ।এন্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়ার পরও রোগীর মৃত্যু উজিরপুরে জমি বিক্রির কথা শুনে  বৃদ্ধাকে অবরুদ্ধ করে বেড়া দিয়ে দখলের অভিযোগ।  কাশিয়ানীতে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করার সময় নি’ষি’দ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার। স্বরূপকাঠীতে গাছ কাটার রশিতে ফাঁস লেগে চলন্ত মটর সাইকেল আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু পিরোজপুরের ফায়ার ফাইটার মোঃ কামাল হোসেন একজন সাহসী উদ্ধার কর্মী
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বাংলা চলচ্চিত্রের মিয়া ভাই খ্যাত ও ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ফারুক আর নেই

অনলাইন ডেস্ক / ২৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ মে, ২০২৩

বাংলা চলচ্চিত্রের যুগযুগ ধরে অবিসংবাদিত ও মিয়াভাই খ্যাত নায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা ১৭ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফারুকের ভাতিজি আসমা পাঠান রূম্পা।
২০২১ সালের ৪ মার্চ সিঙ্গাপুরে যান ফারুক। চেকআপের পর তখন তার ইনফেকশন ধরা পড়লে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ভর্তি হন এই অভিনেতা। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন ফারুক।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে বড় পর্দা মাতিয়েছেন ফারুক। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে ঢাকা-১৭ আসনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন চিত্রনায়ক ফারুক। ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’তে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে ফারুকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রথম সিনেমায় তার বিপরীতে ছিলেন মিষ্টি মেয়ে কবরী। এরপর ১৯৭৩ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র খান আতাউর রহমানের পরিচালনায় ‘আবার তোরা মানুষ হ’ ও ১৯৭৪ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার আলোর মিছিল এ দুটি সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
১৯৭৫ সালে তার অভিনীত ‘সুজন সখী’ ও ‘লাঠিয়াল’ সিনেমা দুটি ব্যাপক ব্যবসা সফল হয়। ওই বছর ‘লাঠিয়াল’র জন্য তিনি সেরা-পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৭৬ সালে ‘সূর্যগ্রহণ’ ও ‘নয়নমণি’, ১৯৭৮ সালে শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত আব্দুল্লাহ আল মামুনের ‘সারেং বৌ’, আমজাদ হোসেনের ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’সহ বেশকিছু সিনেমায় ‘মিয়া ভাই’খ্যাত চিত্রনায়ক ফারুকের অভিনয় প্রশংসিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ