শিরোনাম
বানারীপাড়ায় বিরোধীয় সম্পত্তিতে বিল্ডিংয়ের কাজসহ অন্যান্য কাজ না করার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি // শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ ছগির খানের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত। বাইশারী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ ছগির খানের মৃত্যুতে বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের শোক বানারীপাড়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহবানে জাকের পার্টির জনসভা ও  র‍্যালি বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বোয়ালমারীতে সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু ।এন্টিভেনম ইনজেকশন দেওয়ার পরও রোগীর মৃত্যু উজিরপুরে জমি বিক্রির কথা শুনে  বৃদ্ধাকে অবরুদ্ধ করে বেড়া দিয়ে দখলের অভিযোগ।  কাশিয়ানীতে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করার সময় নি’ষি’দ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার। স্বরূপকাঠীতে গাছ কাটার রশিতে ফাঁস লেগে চলন্ত মটর সাইকেল আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু পিরোজপুরের ফায়ার ফাইটার মোঃ কামাল হোসেন একজন সাহসী উদ্ধার কর্মী
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বানারীপাড়ার সন্তান ছাত্রদল নেতা হৃদয়সহ অন্যান্য নেতাদের মারধরের ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা

জাকির হোসেন// / ১২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

বানারীপাড়ার সন্তান ছাত্রদল নেতা হৃদয়সহ অন্যান্য নেতাদের মারধরের ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিহিংস

জাকির হোসেন, বানারীপাড়া//
বরিশালের বানারীপাড়ার সন্তান হৃদয়সহ অন্যান্য নেতাদের রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বসবর্তী হয়ে হামলা ও মারধরের ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাৎক্ষণিক ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে একটি মহল বিভিন্ন পত্রিকায় উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং ভুল তথ্য দিয়ে সত্য সংবাদ প্রকাশ করিয়াছে।  স্থানীয় কিছু লোকজনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রোশে এই হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি ২০২৪ সালের ২৯ আগস্ট বসুন্ধরা এফ ব্লকের ১৭ নম্বর রোডের ৫৪৬ নম্বর বাসার সামনে ঘটে। জানা যায়, গুলশান থানা ছাত্রদলের সভাপতি কে এম নাঈম এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল নেতা বানারীপাড়া সন্তান ফজলে রাব্বি হৃদয় মোটরসাইকেলে করে ওই এলাকায় যাচ্ছিলেন।

পথে কিছু লোকজনকে একত্রিত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তারা ওই দুই ছাত্রনেতা মোটরসাইকেল থামান । লোকজন তাদের নাম ও পরিচয় জানতে চাইলে নাঈম ও হৃদয় তা জানান। এরপরই তাদের ওপর চড়াও হয় জড়ো হওয়া লোকজন। হৃদয় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে উল্টো আরও মারমুখী হয়ে ওঠে তারা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফলস্বরূপ নাঈম ও হৃদয়কে ডাকাত সন্দেহে বেধড়ক পিটানো হয়।এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, নাঈম ও হৃদয়কে মারধর করা হচ্ছে। পরবর্তীতে সরে জমিন তদন্ত এবং সার্বিক খোঁজ খবর এ জানা যায়  ওই দিনের ঘটনা কেন ডাকাতির ঘটনা কিংবা নাইম ও হৃদয়ের ভুলেরও কোন ঘটনা ছিল না  বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঘটনা। নাঈম ও হৃদয় ছাড়াও নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল জনি, স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুজ্জামান রাফি শিমুল, বিএনপি নেতা মাহবুব আহসান শাহীন, আতিকুর রহমান সুমন, মোঃ সামির হোসেন, জাহিদ হাসান, তানভীর হাসান সানি এবং নাহিদ মিয়াও এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। রাজনৈতিক একটি গ্রুপ হৃদয়ের পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে দাগ লাগাবার জন্য পরিকল্পিতভাবে এই নিকৃষ্ট ঘটনা ঘটিয়েছে। ভুক্তকরছো ভোগীরা জানান, স্থানীয় কিছু লোকজনকে উস্কে দেওয়া হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতির গুজব ছড়িয়ে এই হামলা চালানো হয়। ক্ষতিগ্রস্থরা শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সরে জমিন  ঘটনা তদন্তে বাস্তবিক সত্যতা প্রকাশিত হলে ভুক্তভোগীদের মাঝে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস প্রকাশ পেয়েছে। তারা আইনগতভাবে ঘটনাটির সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন । তারা দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ